
মেদিনীপুর 29 সে মে :
মেদিনীপুরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে এসে তৃণমূল নিয়ে কটাক্ষ ও রসিকতা বিজেপি মিনিস্টার সুকান্ত মজুমদারের। তিনি বললেন বিজেপিতে কোন পচা তৃণমূলকে নেওয়া হবে না,এখানে ভালো আলু যথেষ্ট রয়েছে পাশাপাশি লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে বললেন মাত্র তিন পাতা ফরম ফিলাপ করতে হবে। বাকি পাতাগুলো রয়েছে সিএ যারা আবেদন করেছেন এবং বাকি তিন পাতা টিক মারার জন্য। এছাড়াও কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়েও মন্তব্য সুকান্ত মজুমদারের।

মূলত এইদিন মেদিনীপুরে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টেট ইউনিয়ন মিনিস্টার সুকান্ত মজুমদার এসেছিলেন একটি রেনোভেটেড হল উদ্বোধনে। এই উদ্বোধন করতে মন্ত্রী ছাড়াও ছিলেন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দীপক কুমার কর, রেজিস্টার জয়ন্ত নন্দী, এছাড়াও মেদিনীপুরের জেতা বিধায়করা। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বায়ুসেনা, স্থল সেনার বিভিন্ন আধিকারিকরাও। অনুষ্ঠান শেষে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সুকান্ত মজুমদার। প্রথমেই সাংবাদিকরা কলেজে কলেজে ভোট হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করেন তাতে সুকান্ত বাবু বলেন,” আগে শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে তারপর শিক্ষামন্ত্রী বিভিন্ন রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে কথা বলবেন তারপর সিদ্ধান্ত নেবেন।এরপর বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোটের পরে এবিভিপির উৎশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে সুকান্ত বাবু বলেন প্রথমত এবিভিপি কোনভাবেই ভারতীয় জনতা পার্টির অংশ নয়।

দ্বিতীয়ত ABVP তার পরের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে বলেছে যে তারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। তাই যারাই এই ঘটনা ঘটেছিল তারা কোনোভাবেই বিজেপি বা এবিভিপি নয়। এরপর বিজেপিতে তৃণমূলের যোগদান প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে সুকান্ত বাবু বলেন পার্টি তো আগেই বলে দিয়েছে আমাদের দলে কোনোভাবে তৃণমূলকে নেওয়া হবে না কারণ তৃণমূল মানে পচা মূল। পচা মুল বা পচা আলু আমরা নেব না, আমাদের যা আলু আছে ভালো আলু আছে। এছাড়া রাজ্য সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্যের ভালো তৃণমূল দলে নেওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন নিয়ে তিনি বলেন রাজ্য সভাপতি তার ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন ভালো তৃণমূল মানের সোনার পাথর বাটি। পাবেন না খুঁজে, তো নেবেন তাদের কোথা থেকে। একটু রসিকতা করে বলেন কাঁঠালের আমষত্ব কোনদিন খেয়েছেন সেরকম ভালো তৃণমূল হয় না।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে বারো পাতার বিভ্রান্তি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এখানে বিভ্রান্তির কোন হওয়ার ব্যাপার নেই। তিন পাতা শুধু টিক মারলে হবে। বাকি তিন পাতা রয়েছে যারা সি এতে এপ্লাই করেছে তাদের জন্য তাতে কোন হাত দিতে হবে না। এছাড়া পড়ে রইল বাকি তিন পাতা মাত্র তা ফিলাপ করতে হবে।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে এখন বিভ্রান্তি রাজ্যবাসীর মধ্যে। কারণ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে এত ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা ছিল না কিন্তু লক্ষীর ভাণ্ডারে প্রায় বারো পাতার ফরম ফিলাপের ব্যবস্থা রয়েছে। যার ফলে ধন্দে রয়েছেন রাজ্যের লক্ষ্মীরা। অন্যদিকে কলেজে কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি। এখন অপেক্ষা মন্ত্রিসভা গঠনের।