
শালবনি 5 ই মার্চ :
সারা পশ্চিমবাংলার আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন- ২০২৬ এর দিনক্ষণ এখনও ঘোষণা হয়নি। সারা রাজ্যজুড়ে কম বেশি দেওয়াল লিখন ও দেওয়াল দখল করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মাঠে নেমে পড়েছেন। দেখা যাচ্ছে ২৩৪ নং শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রে শ্যামল ঘোষ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নিজে দেওয়াল লিখন শুরু করে দিয়েছেন। যদিও প্রার্থীর নাম এখনও লেখা হয়নি।

এখনো ভোটের দিনক্ষণ ঠিক হয়নি,ঠিক হয়নি রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের নাম।তবে প্রচারের ক্ষেত্রে খামতি রাখতে চাইছে না কোন শাসক-বিরোধী কোন দলই। তাই শাসক দল তৃণমূল তৃণমূলের পাশাপাশি এবার প্রচারে ঝড় তুলল জাতীয় কংগ্রেস। পশ্চিম মেদিনীপুরের ১৫ টি বিধানসভার মধ্যে অন্যতম বিধানসভা শালবনী বিধানসভা আর সেই বিধানসভায় প্রচারে এগিয়ে কংগ্রেস। গত কয়েকদিন ধরেই দেওয়াল লিখন করে চলছেন এলাকার কংগ্রেস নেতা শ্যামল ঘোষ। প্রার্থীর নাম উহ্য রেখেই চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। উল্লেখ্য, গত ২০২৪ উপনির্বাচনে মেদিনীপুর বিধানসভা থেকে দাঁড়িয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী শ্যামল ঘোষ। তৃণমূল প্রার্থী সুজয় হাজরা এবং বিজেপি প্রার্থী শুভজিৎ রায়ের পাশাপাশি তিনিও প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন। হুড খোলা জিপে করে চষে বেড়িয়ে ছিলেন গোটা মেদিনীপুর বিধানসভা।

যদিও তিনি দিনরাত অবিরাম পরিশ্রম করেও শেষ পর্যন্ত জয়ী হতে পারেননি, তবে কংগ্রেসের ভোট বাড়িয়ে ছিলেন অনেকটাই। মেদিনীপুর থেকে মুছে যাওয়া কংগ্রেসকে তিনি তুলে এনেছিলেন রাজনৈতিক শীর্ষে। উল্লেখ্য, এই শ্যামল বাবু প্রয়াত জননেতা অমিয় কিস্কুর রাজনৈতিক মানসপুত্র, রাহুল গান্ধীর স্নেহ ধন্য আজীবন কংগ্রেসের সাধক, লড়াকু কংগ্রেস নেতা। অপরদিকে তিনি সমাজসেবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এখন দেখার কংগ্রেস দল শালবনী বিধানসভা কেন্দ্রে কাকে বেছে নেন। তবে শ্যামল বাবু শালবনীর ভূমিপুত্র তাই তাঁর জনপ্রিয়তা অনেক বেশী বলে এলাকায় মানুষের মত।

যদিও এ বিষয়ে শ্যামল ঘোষ বলেন,”গতবারের উপনির্বাচনে দিনরাত পরিশ্রম করে অনেকটাই ভোট বাড়াতে পেরেছি কংগ্রেসের। তবে দুই হেবি ওয়েট প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই করে এই ভোট বাড়ানোটা খুব একটা সোজা ছিল না। এবারে যদি দলের পছন্দ হয় এবং এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়াতে পারি, তবে চেষ্টা করব একটা সিট অন্তত জিতিয়ে দলের হাতে তুলে দিতে। তবে দল যাকে মনে করবে তাকেই টিকিট দেবে এটাই মনে করি। আমরা দলের হয়েই সারা জীবন কাজ করে যাব।