
হাতিমারি 5 ই মার্চ :
ফের বি এল ও র মৃত্যু,এবার মৃত্যু হল পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী থানার অন্তর্গত হাতিমারি এলাকায়। পরিবারের দাবি কাজের চাপের জন্যই মৃত্যু হয়েছে এই শিক্ষক তথা দিয়ে BLO এর। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হাজির তৃণমূল বিধায়ক। অভিযোগ করলেন এটা নির্বাচন কমিশন নয় নির্যাতন কমিশন।

সম্প্রতি SIR এর ফাইনাল ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে তাতে বাদ গিয়েছে বহু মানুষের এছাড়াও বহু ভোটারের নাম বিবেচনা ধীন রয়েছে। খোদ মেদিনীপুরে বিবেচনা ধিন রয়েছে প্রায় লক্ষাধিক ভোটারের। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিএলও-র মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুরে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। মৃতের নাম সুবিমল কারক (৫৮)। তিনি পেশায় শিক্ষক ছিলেন।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,তাঁর বাড়ি শালবনী থানার অন্তর্গত হাতিমারি এলাকায়।মূলত তিনি সাবলি প্রাইমারি স্কুল-এর শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তাঁকে বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার)-এর দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।পরিবারের অভিযোগ, সুবিমলবাবু প্রথম থেকেই এই দায়িত্ব নিতে অনিচ্ছুক ছিলেন। তবুও তাঁকে জোর করে বিএলও-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেই কারণেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ছিলেন বলে দাবি পরিবারের।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের লোকজন চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে চিকিৎসক বাড়িতেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনার খবর পেয়ে মৃতের বাড়িতে পৌঁছন মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক সুজয় হাজরা। তিনি সান্তনা দেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পাশাপাশি বিএলও-দের উপর কাজের চাপ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

যদিও এই নিয়ে মেদিনীপুর বিধানসভার বিধায়ক সুজয় হাজরা বলেন, “এটা নির্বাচন কমিশন নয়, নির্যাতন কমিশন। এই অত্যাচার মানুষ কোনও দিন ভুলবে না। এর জন্য নির্বাচন কমিশনই দায়ী।”
অন্যদিকে, মৃতের মেয়ে সূচন্দ্রিমা কারক জানান, “বাবা খুব চাপে ছিলেন। সারাদিন কাজ করতেন। বাবার আগে থেকেই হার্টের সমস্যা ছিল। এখন কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে আমরা নেই।”

যদিও এই বিষয়ে বিজেপি নেতা শংকর গুছাইত বলেন,”অসুস্থ BLO কে দায়িত্ব দায়িত্ব দিয়েছে স্থানীয় ভিডিও ই আরো বিজেপি দেয়নি। তাছাড়া SIR এর কাজ গত ১৫ দিন আগে শেষ হয়ে গিয়েছে তারপরও তিনি চাপে ছিলেন কিভাবে!শাসক দলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে বিজেপি নেতা বলেন তৃণমূলের যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে তাই ভুলভাল বকে যাচ্ছে।