Tmc Office : পার্টি অফিসের ভবিষ্যৎ! জাদুঘর করার দাবি বিজেপির, আসল মালিক কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি কংগ্রেসের

Share

মেদিনীপুর 11 ই জুন :

একদিকে গোটা রাজ্যজুড়ে তৃণমূল নেতাদের টানা ধর পাকড়, গ্রেফতার অন্যদিকে গোটা রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের ধরাস্থায়ী। এই পরিস্থিতিতে পার্টি অফিস গুলির অবস্থা শোচনীয়। এ রকমই এক শোচনীয় অবস্থা জেলা তৃণমূলের পার্টি অফিস। পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর শহরের তৃণমূলের জেলা কার্যালয়ের অবস্থা বেহাল।

মূলত গত ৪ ই মে রেজাল্ট ঘোষণার মধ্যবর্তী পর্যায়ে অর্থাৎ দুপুরবেলা থেকেই গোটা রাজ্যের সঙ্গে জেলায় জেলায় তৃণমূল পার্টি অফিস গুলির ওপর হামলে পড়ে বিক্ষুব্ধ মানুষজন। এরকমই মেদিনীপুর শহরে জেলা তৃণমূল পার্টি অফিস সহ হামলা চালায় কিছু মানুষ এবং রাতারাতি পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়। পার্টি অফিসের ভেতরে জিনিসপত্র বাইরে টেনে ফেলে রাখা হয়। এরই সঙ্গে তৃণমূলের নেতাদের নাম মুছে রাতারাতি গেরুয়া করন করা হয় তৃণমূলের পার্টি অফিস। সেই সঙ্গে গেটে লাগিয়ে দেওয়া হয় বজরং দলের পতাকা। এর পরবর্তী পরিস্থিতিতে তৃণমূলের জেলা নেতা সুজয় হাজরার পুলিশি হেফাজতের পরেই আরো করুন অবস্থা হয় তৃণমূলের। কারণ এখন সবাই ভয়ে কাঁপছে, কাকে কখন পুলিশ ডেকে পাঠায়? ‘কাউন্সিলর থেকে যুবনেতা, সাধারণ সম্পাদক থেকে চেয়ারম্যান’ প্রত্যেক তৃণমূল নেতাই এখন কাজকর্ম থেকে কিছুটা বিরতি নিয়ে আড়ালে অবডালে দিন কাটাচ্ছে।

সূত্র অনুযায়ী জানা যায় কেউ কেউ আবার বাড়িছাড়া রয়েছেন দীর্ঘদিন। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের পার্টি অফিসের অবস্থা গুলি বেহাল। চালানোর লোক নেই, নেই জেলা নেতৃত্ব এ রকমই শোচনীয় অবস্থা দেখা গেল মেদিনীপুর জেলা, পার্টি অফিসে। এখন প্রশ্ন হল এই পার্টি অফিসের রক্ষণাবেক্ষণ করবে কারা?

এই বিষয়ে বিজেপি নেতা অরূপ দাস বলেন,”পার্টি অফিস গুলোকে জাদুঘর বানানো হোক যাতে আগামী প্রজন্ম এসে দেখতে পারে যে চোর ক্রিমিনালদের একটা সরকার ছিল তারা ক্ষমতা তাদেরকে চলে যাওয়ার পর মানুষ তাদের ধ্বংস স্তুপে পরিণত করেছে। সেইসঙ্গে এও মানুষ জানতে পারে মানুষের উপর অত্যাচার করলে কি হয় তার পরিণতি!”

অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা সঞ্জীব সিট বলেন,”তৃণমূল পার্টির কোন দল ছিল না এটা তোলা মূল ছিল। ২০১১ সালের ক্ষমতায় আসার পর তারা কিভাবে ছলে বলে কৌশলে আমাদের পার্টি অফিস দখল করেছে, আমাদের নেতাদের কেস দিয়েছে। তাই বলবো পাপ তার বাপ তো ছাড়ে না। এই সরকার কাছে অনুরোধ থাকবে যে আগে যাদের পার্টি অফিস ছিল তাদের
কে যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয়।”


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in