RAHAT Scheme : রোডে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্যাশলেস ট্রিটমেন্ট PM RAHAT Scheme ! চিকিৎসার অভাবে কেউ যেন না মারা যায় ভাবনা কেন্দ্রের

Share

স্পেশাল খবর 22 সে জুলাই :

প্রতি বছর রোড় এক্সিডেন্ট এ মারা যান বহু সংখ্যক মানুষ। দ্রুত চিকিৎসার অভাবে এই সমস্যায় মুখে পড়তে হয় আহতদের। দেশবাসীর এই সমস্যার কথা ভেবে PM RAHAT Scheme কেন্দ্রের। বড় উদ্যোগ নিল মোদি সরকার। রোডে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের ক্যাশলেস ট্রিটমেন্টের স্বার্থে পিএম রাহাত স্কিম PM RAHAT Scheme ।

কতদিনের জন্য কারা পাবেন এই সুবিধা :

সরকারের তরফে বলা হয়েছে, রাস্তার দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের এই স্কিমের সুবিধা দেওয়া হবে। এই ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা দেবে সরকার। মূলত, রাস্তায় অনেক সময় রোড অ্যাক্সিডেন্টের মধ্যে পড়ে কেবল চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হয় অনেকের। আহতকে হাসাপাতালে নিয়ে গেলেও প্রাথমিকভাবে টাকা জোগাড় করতে না পারায় চিকিৎসা শুরু হয় না।

এই প্রাথমিক চিকিৎসার অভাবেই মৃত্য ঘটে অনেকের। এই মৃত্যু রুখতেই মোদি সরকার এনেছে নতুন স্কিম। তবে মনে রাখতে হবে, দুর্ঘটনার দিন থেকে ৭ দিন পর্যন্ত এই স্কিমের ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পওয়া যাবে। তারপরে ব্যক্তি বা তার পরিবারকেই আর্থিক ভার বহন করতে হবে দুর্ঘটনাগ্রস্তের।

হাসপাতালে কীভাবে পাবে সরকারের এই সুবিধা :

একবার কেউ পিএম রাহাত স্কিমের সুবিধা নিলে সরকার সেই নির্দিষ্ট হাসাপাতালকে টাকা পাঠাবে। মোটর ভেহিক্য়াল অ্য়াক্সিডেন্ট ফান্ডের আওতায় এই টাকা পাঠানো কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি দিল্লির সেবা তীর্থ থেকে এই স্কিমের সূচনা করা হয়েছে। মূলত, সরকারের ‘সিটিজেন ফার্স্ট’ নীতি মেনেই এই সুবিধা দেওয়া হবে। সরকারে মতে, কেবল সময়মতো চিকিৎসার অভাবে যেন আর কেউ মারা না যান, সেই কারণেই এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সমীক্ষা বলছে, প্রতি বছর ভারতের রাস্তায় বহু লোকের কেবল দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। এর মধ্যে ৫০ শতাংশের মৃত্যু হয় কেবল প্রাথমিক চিকিৎসার অভাবে। প্রথম ১ ঘণ্টার মধ্য়ে ট্রিটমেন্ট হলে এরা বেঁচে যেতেন। কিন্ত কেবল হাসপাতালে না নিয়ে যাওয়া বা টাকার ওভাবে ওই সময় তাদের চিকিৎসা হয় না। এবার সরকার এই স্কিম আনায় উপকৃত হবেন রাস্তার দুর্ঘটনায় আহতরা।

সরকারের ভাবনা-চিন্তা এর ফলে যেমন একদিকে দুর্ঘটনা গ্রস্থ ব্যক্তিরা চিকিৎসা পাবেন ঠিক তেমনি মৃত্যুর হার কমবে, দুর্ঘটনায় পড়া মানুষজনদের।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *