
মেদিনীপুর 25 সে জুলাই :
প্রথম বছরের সাফল্য লাভ পেয়েছিল এই সংঘ, এবছর তাই দ্বিতীয় বছরের আয়োজন। একমাত্র মহিলা দ্বারা পরিচালিত এই সংগঠন এবারে রক্তদান শিবিরে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি। সংসারের কাজের ফাঁকে শিবিরে রক্তদান করে গেলেন বুলু ঘোষ,অনিমা মাইতি, রাণু গুহ, রুমা দে,শম্পা সোম, পম্পা পাল,সুমনা নন্দী, সঞ্চিতা সিনহা,দীপিকা সেন, কে নিবেদিতা, টুম্পা মন্ডল সহ বাকি সকল সদস্যা বৃন্দরা।

‘যে নারী রাঁধে, সে নারী চুল বাঁধে’ এই আপ্তবাক্য আজকের না বহুদিনের প্রচলিত কথা। এই কথা কে পাথেয় করে শরৎপল্লী ডাকবাংলো এলাকায় ‘ শরৎ স্মৃতি প্রথমা সংঘ’ গঠন করা হয়েছিল এই এলাকার নারীদের নিয়ে। উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক কর্মসূচি, সচেতনতার বার্তা এবং দুস্থ অসহায় মানুষের পাশে থাকা। আর তাই গত বছরের মতন এ বছরও ব্লাড ব্যাংকের সহায়তায় এবং সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল এই সংঘ। এদিন এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন হয়। উপস্থিত হয়েছিলেন শহরের বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বিশেষ করে উপস্থিত ছিলেন সংঘের রাজকুমার দাস, আশীর্বাদ ভৌমিক, বিশিষ্ট সমাজসেবী অনুপ সিং, আইনজীবী তীর্থঙ্কর ভকত সহ অন্যান্যরা। এদিন একে একে পুরুষ ও মহিলা মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন রক্তদাতা রক্ত দান করলেন এই শিবিরে।

রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন এই প্রথমা।সংঘের সদস্য/ সদস্যা সেইসঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথি বৃন্দরা। সেই সঙ্গে এই অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে ছিলেন প্রথমা সংঘের সভাপতি বুলু ঘোষ, সম্পাদিকা অনিমা মাইতি, সংগঠনের কালচারাল সেক্রেটারি রাণু গুহ, রুমা দে,শম্পা সোম, পম্পা পাল,সুমনা নন্দী, সঞ্চিতা সিনহা,দীপিকা সেন, কে নিবেদিতা, টুম্পা মন্ডল সহ বাকি সকল সদস্যা বৃন্দ। অনুষ্ঠানের তদারকি করেন শিক্ষক ধৃতি রঞ্জন রায়।

শিক্ষক ধৃতি রঞ্জন রায় বলেন,’ জীব সেবাই, শিবসেবা আর সেই বক্তব্যকে চারিদিকে ছড়িয়ে দিতে শরৎ স্মৃতি সংঘ প্রথমার দ্বিতীয় রক্তদান শিবির। যেখানে পুরুষ মহিলা মিলিয়ে বহু রক্তদাতা এসেছেন স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে। সামাজিক যেমন কর্মসূচি পালন হয় এই সংগঠনের তেমনি মানবিক সচেতনতার বার্তাও ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মূল উদ্দেশ্যই হলো মানুষের পাশে থাকা।’

সংগঠনের কালচারাল সেক্রেটারি রাণু গুহ বলেন,’এখন ব্লাড ব্যাংকগুলোতে রক্তের সংকট কিন্তু তারপরও মানুষ প্রচুর পরিমাণে শিবিরের আয়োজন করছে। আমরাও তাই সেই ব্লাড ব্যাংকগুলোতে সমস্যা মেটাতে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এগিয়ে এসেছি। এটা আমাদের দ্বিতীয় বছর। আমাদের শিবিরে এ বছর প্রায় ৫০ জন রক্তদাতা রক্তদান করতে চলেছে।’