
মেদিনীপুর 30 সে জুলাই :
31 টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল সেন্সাসে! কিভাবে করবেন, কারা করবেন? না পারলে কারা গিয়ে জনগণনা করে আসবে, সে বিষয়ে যাবতীয় খুঁটিনাটি তথ্য তুলে ধরলেন জেলার জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ। বাড়ির পরিধি কত, ছাদ কেমন! কতগুলো গাড়ি আছে, ফ্রিজ আছে কিনা? সমস্ত ডাটা আপলোড করতে হবে এই জনগণনায়।

নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে রাজ্যে এখনো ছমাস পূরণ হয়নি,তবে তার মধ্যেই একদিকে যেমন নতুন নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তখন অন্যদিকে একাধিক প্রকল্প কাটছাট করতে উদ্যোগী হয়েছে নতুন সরকার। সেই সঙ্গে এবার ডিজিটাল সেন্সাসে জোর দিল এই সরকার। এদিন মেদিনীপুরের এক সাংবাদিক বৈঠক করে জনগণনার যাবতীয় তথ্য তুলে ধরলেন জেলার জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণ। জেলাশাসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী,” 1 লা আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল জনগণনা। প্রত্যেক জেলাবাসী তার নিজের মোবাইল থেকে ৩১ টি তথ্য আপলোড করতে পারবে। এটাকে সেল্ফ জনগণনা বলা হচ্ছে। প্রত্যেকেই তার বাড়ির কতজন রয়েছে, কতগুলো বাড়ি রয়েছে, ফ্রিজ এসি, গাড়ি কটি রয়েছে বা বাকি যাবতীয় সঠিক তথ্য আপলোড করতে পারবেন। দ্বিতীয় ফেজে ফেব্রুয়ারি মাসে বাড়ি বাড়ি গিয়ে জনগণনা করবেন কর্মীরা।

তবে সেলফ জনগণনায় নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট দেওয়া হয়েছে সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে মোবাইল নাম্বার দিয়ে। বাড়ির একজন কর্তা হবেন, তার নামে যাবতীয় তথ্য আপলোড করতে হবে। শেষের দিকে বাড়ির উপর ম্যাপে ক্লিক করে ছবি তুলে আপলোড করতে হবে। সবকিছু হয়ে যাওয়ার পর এগারো সংখ্যার একটি আইডি পাবেন সেই আইডি জনগণনা করতে আসা কর্মীরা দিলেই তারপরেই ফাইনাল কপি হাতে পাবেন। যদি তথ্য ভুল থাকে জন গননার কর্মীরা আবার নতুন করে সমস্ত ডেটা সংগ্রহ করবেন। এই প্রক্রিয়া আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বর মাস অব্দি চলবে। এন্ড্রয়েড মোবাইলের মাধ্যমে আপনারা ওয়েব সাইটে গিয়ে কাজ গুলি করতে পারবেন। জনগণকে সতর্ক সচেতন এবং এ বিষয়ে সঠিক দিশা দেখানোর জন্য অফিসের সামনে একটি কিয়ক্স মেশিন বসানো রয়েছে, সেই সঙ্গে ট্যাবলো ঘোরানো হবে গোটা শহর, জেলা জুড়ে। আমরা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা চাইছি সবচেয়ে বেশি মানুষ তার সেলফ জনগণনার মধ্য দিয়ে তাদের নিজেদের ডেটা পূরণ করুক।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গোটা দেশ জুড়েই চলছে জনগণনা এ জন গণনা শেষ হবে আগামী ২০২৭ সালে। তবে পূর্ববর্তী জনগণনা থেকেই জনগণনা এটা আলাদা এই জনগণনায় নিজেদের ডিজিটাল মাধ্যমে এবং সেলফ জনগণনার মধ্য দিয়ে নিজেদের ডেটা,তথ্য দিতে হবে জেলার মানুষ এবং দেশের মানুষকে। এক্ষেত্রে পশ্চিম মেদিনীপুর আগেই শুরু করে দিতে চাইছে এই প্রচার পর্ব। কারণ পশ্চিম মেদিনীপুরের মোট ১৫ টি বিধানসভা রয়েছে। সালবনি, গড়বেতা সেই দাসপুর, ঘাটাল অন্যদিকে খড়্গপুর, সবং পিংলা সহ মোট ১৫টি বিধানসভার বেশিরভাগ মানুষ গ্রামাঞ্চলে বসবাস করেন।সেক্ষেত্রে মানুষকে সচেতন করতে এবং তাদের যাবতীয় সুবিধা দিয়ে জনগণনার কাজ এগিয়ে রাখতে চাইছেন জেলা প্রশাসন।