
মাদপুর 9 ই আগস্ট :
খুদে পড়ুয়াদের শিক্ষা সামগ্রী প্রদান, ট্রাফিক এবং পুলিশ বন্ধুদের প্রয়োজনীয় ছাতা রেনকোট এবং উপহার সামগ্রী প্রদান সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সপ্তাহব্যাপী সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি শেষ মাদপুরে। এইদিন মাদপুরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করলো খড়গপুর লোকাল STG-B , পুরো তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব ছিলেন খড়গপুর লোকাল STG-B এর ট্রাফিক ওসি ভানু রায় ও টিম।

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মত সেই সঙ্গে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাত দিনব্যাপী চলা সড়ক পরিবহন সচেতনতা কর্মসূচি শেষ হলো এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।খড়গপুর STG-B এর তরফ থেকে মাদপুরে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। শেষ দিনে এই অনুষ্ঠানে এলাকার শতাধিক কচিকাঁচাদের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি ডিউটিরত ট্রাফিক অফিসার, পুলিশ বন্ধু এবং সিভিকদের ছাতা, রেনকোট এবং উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও যারা নিজেদের জীবনে ঝুঁকি নিয়ে টানা ট্রাফিকের ডিউটি করছেন এরকম কয়েকজনকে বিশেষ ভাবে পুরস্কৃত করা হয় এই পুলিশ আধিকারিক এর পক্ষ থেকে। এই দিনের এই অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর লোকাল ওসি চিন্ময় প্রামাণিক, ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর সৌমিত্র ঘোষ সহ বিশিষ্ট আধিকারিকরা। এদিন পুরো অনুষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব ছিলেন খড়গপুর লোকাল STG-B এর ট্রাফিক ওসি ভানু রায় সহ তার পুরো টিম।

উল্লেখ্য, প্রতিদিনই শহর এবং হাই রোডে দুর্ঘটনা ঘটে চলছে। এই দুর্ঘটনায় বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দুই চাকার বাইক আরোহী এবং তার সঙ্গে সওয়ারি মানুষজন।এই দুর্ঘটনায় যেমন তাদের মৃত্যু ঘটছে সেইসঙ্গে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত যে তার পরিবার। তাই বারবার ধরে পুলিশ প্রশাসন থেকে বাইক আরোহীদের যেমন হেলমেট পরতে বলা হচ্ছে, ঠিক তেমনি সিট বেল্ট লাগানোর আবেদন করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে গাড়ির যাবতীয় ফিটনেস বহাল রাখার আবেদন করা হয়েছে। তারপরও মানুষের হুঁশ ফিরছে না। তাই নতুন সরকার আসার পর তাদের সপ্তাহ ব্যাপি সড়ক পরিবহন নিরাপত্তা সত্তা সেইসঙ্গে ট্র্যাফিক নিরাপত্তা সপ্তাহ পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর তাই মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতে জেলা পুলিশ সেই সঙ্গে ট্রাফিক অফিসাররা সেই কর্মসূচিতে লেগে পড়েছেন সাত দিনব্যাপী। এদিন এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এই ট্রাফিক নিরাপত্তা সপ্তাহ।

এ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পুলিশ আধিকারিকরা জানান,’ হেলমেট পড়ুন আর নিজেদের পরিবারকে নিরাপত্তা দিন কারণ একটা পরিবারের কর্তা দুর্ঘটনা গ্রস্থ হলে সেই পরিবারের উপর যে কি বিপর্যয় নেমে আসে তা তার পরিবার পুলিশ এবং আশেপাশের আত্মীয়-স্বজন ছাড়া কেউ জানে না। আর তাই সচেতন করতেই আমাদের এই সপ্তাহব্যাপী প্রয়াস।’