
মেদিনীপুর 29 সে আগস্ট:
আন্তর্জাতিক ওপেন-ওয়াটার সাঁতারে ভারতের হয়ে ক্যাটালিনা চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে নামতে চলেছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের কৃতী সাঁতারু আফরিন জাবী। তাঁর স্বপ্নপূরণের অভিযানে ফের আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল রশ্মি গ্রুপ। কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সি এস আর) কর্মসূচির আওতায় সংস্থার ওড়িশা মেটালিক্স প্রাইভেট লিমিটেড (ইউনিট-১, রশ্মি গ্রুপ)-এর পক্ষ থেকে শনিবার আফরিনের হাতে আরও ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। শনিবার বিকালে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সঙ্গম কনফারেন্স হল এ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা এবং রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী যৌথভাবে চেকটি আফরিনের হাতে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক এবং রশ্মি গ্রুপের পদস্থ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আসন্ন ‘ক্যাটালিনা চ্যানেল এক্সপিডিশন ২০২৬’-এ ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন আফরিন জাবী। আন্তর্জাতিক এই অভিযানের প্রস্তুতির জন্য এর আগেও জেলাশাসকের দপ্তরে একটি অনুষ্ঠানে রশ্মি গ্রুপের পক্ষ থেকে জেলা শাসকের হাত থেকে তাঁকে ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা করা হয়েছিল। এদিনের সহায়তা মিলিয়ে আফরিনের অভিযানে রশ্মি গ্রুপের মোট আর্থিক সহযোগিতার পরিমাণ দাঁড়াল ১০ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা। এই অনুষ্ঠানে রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী বলেন, “দেশের গৌরব বৃদ্ধি করেন এমন ক্রীড়াবিদদের পাশে দাঁড়াতে রশ্মি গ্রুপ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আফরিনকে সহযোগিতা করার এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমরা সুপারিনটেনডেন্ট পাপিয়া সুলতানা কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।

রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট পাপিয়া সুলতানা। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে দেশের ক্রীড়াবিদদের প্রতি সমাজের দায়বদ্ধতার কথা। তিনি বলেন, দেশের ক্রীড়াবিদরা আসলে দেশের রত্ন। তাঁদের প্রতিভার বিকাশ ও সাফল্যের পথে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া সকলেরই কর্তব্য। পাশাপাশি তিনি আফরিনের আসন্ন আন্তর্জাতিক অভিযানের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। অন্যদিকে আর্থিক সহায়তা পেয়ে রশ্মি গ্রুপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আফরিন জাবী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত আফরিন জাবির বাবাও রশ্মি গ্রুপ কে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানান ওনার বক্তব্য এই আর্থিক সাহায্যের ফলে আফরিনের বিশাল খরচের অনেকটাই পূরণ হবে।

উল্লেখ্য,খেলাধুলা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যতেও CSR কর্মসূচির মাধ্যমে রশ্মি গ্রুপ তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতা অব্যাহত রাখবে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রতিশ্রুতি ছিল পরিবেশ বান্ধব ভ্যাট নির্মাণ করে মানুষকে স্বস্তি দেওয়া, কিন্তু সেই ভ্যাট এখন অস্বস্তির কারণ এলাকার মানুষের।