এবার বিগত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন খড়্গপুর আইআইটি। ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী বলেন আগের সরকারের আমলে এসেন্সিয়াল সার্টিফিকেট অ্যাপ্রুভালের জন্য ছয় থেকে আট মাস অপেক্ষা করতে হতো। যদিও এই সরকার অনেক পজিটিভ। যা নিয়ে ফের বিতর্ক জেলায়।
গতকাল শেষ হয়েছে খড়গপুর আইআইটির ৭২ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আর এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কয়েক দিন ধরেই আইআইটি ছিল উৎসবমুখর। প্রায় ৩৯৩৬ জন পড়ুয়া ডিগ্রী পান মন্ত্রী, ডিরেক্টার সহ বিশিষ্ট অতিথিদের হাত ধরে। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমস্ত মন্ত্রী বিধায়ক এবং অতিথিরা বারবার ধরে খড়্গপুর আইআইটির ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং পড়ুয়ার দের আগামী দিনে ‘বিকশিত ভারতের’ হাল ধরার আবেদন করেন। যদিও আইআইটি পড়ুয়াদের বেশ কিছু সার্টিফিকেট পাওয়া নিয়ে এবার বিগত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী। তিনি এদিন তার অভিযোগ ক্রমে বলেন,” যে সরকার-ই থাকুক না কেন সকল সরকার মানুষের জন্য, এই নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না কিন্তু এইটা একটা বাস্তব ঘটনা যে বেশ কিছু এসেন্সিয়াল সার্টিফিকেসন অ্যাপ্রুভালের জন্য ছয় মাস আট মাস বসে থাকতে হয়েছে যেটা নতুন সরকার আসার পর দুদিনের মধ্যে অ্যাপ্রুভাল পাওয়া গেছে।
সুতরাং এটা একটা ছোট্ট জিনিস! এইভাবে যদি আমাদের যে সরকার আছে, সে কোন পার্টির জানার দরকার নেই ,তারা আমাদের সহায়তা করেন তাহলে আইআইটি আরো ভালো কাজ করবে। কারণ আইআইটি হল মানুষের জন্যই গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি নতুন সরকার নিয়ে ডিরেক্টর বলেন, ‘এই নতুন সরকারের একটা আমি পজেটিভ দিক দেখতে পেয়েছি, বিভিন্ন মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলে। এই পজেটিভ স্পিরিট টা আমাদের বাস্তবে কাজে লাগালে আমাদের আই আই টির প্রভূত উন্নতি হবে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নামে এটি হাসপাতাল অতি দ্রুত চালু করতে চলেছে খড়্গপুর আইআইটি। সেখানে যেমন আউটডোর দেখা হবে তেমনি থাকছে অতি অল্প খরচে মেডিকেলের যাবতীয় সুবিধা। এরই পাশাপাশি পড়ুয়াদের টেকনোলজি এবং এআইয়ের ক্ষেত্রেও নতুন নতুন ধরনের কোর্স চালু করতে চলেছে এই দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর সেক্ষেত্রেই রাজ্যের সাহায্য অনেকটাই চলার পথে মসৃণ করবে বলেই মনে করছে আইআইটি ডিরেক্টর।
IIT Kharagpur : আগের সরকার জরুরি সার্টিফিকেটের অ্যাপ্রুভালের জন্য ছয় মাস ঘুরাতো, এই সরকার অনেক পজিটিভ ! ক্ষুব্ধ খড়গপুর IIT ডিরেক্টর
খড়গপুর 5 ই জুলাই :
এবার বিগত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন খড়্গপুর আইআইটি। ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী বলেন আগের সরকারের আমলে এসেন্সিয়াল সার্টিফিকেট অ্যাপ্রুভালের জন্য ছয় থেকে আট মাস অপেক্ষা করতে হতো। যদিও এই সরকার অনেক পজিটিভ। যা নিয়ে ফের বিতর্ক জেলায়।
গতকাল শেষ হয়েছে খড়গপুর আইআইটির ৭২ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠান আর এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে কয়েক দিন ধরেই আইআইটি ছিল উৎসবমুখর। প্রায় ৩৯৩৬ জন পড়ুয়া ডিগ্রী পান মন্ত্রী, ডিরেক্টার সহ বিশিষ্ট অতিথিদের হাত ধরে। বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমস্ত মন্ত্রী বিধায়ক এবং অতিথিরা বারবার ধরে খড়্গপুর আইআইটির ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং পড়ুয়ার দের আগামী দিনে ‘বিকশিত ভারতের’ হাল ধরার আবেদন করেন। যদিও আইআইটি পড়ুয়াদের বেশ কিছু সার্টিফিকেট পাওয়া নিয়ে এবার বিগত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী। তিনি এদিন তার অভিযোগ ক্রমে বলেন,” যে সরকার-ই থাকুক না কেন সকল সরকার মানুষের জন্য, এই নিয়ে রাজনীতি করতে চাই না কিন্তু এইটা একটা বাস্তব ঘটনা যে বেশ কিছু এসেন্সিয়াল সার্টিফিকেসন অ্যাপ্রুভালের জন্য ছয় মাস আট মাস বসে থাকতে হয়েছে যেটা নতুন সরকার আসার পর দুদিনের মধ্যে অ্যাপ্রুভাল পাওয়া গেছে।
সুতরাং এটা একটা ছোট্ট জিনিস! এইভাবে যদি আমাদের যে সরকার আছে, সে কোন পার্টির জানার দরকার নেই ,তারা আমাদের সহায়তা করেন তাহলে আইআইটি আরো ভালো কাজ করবে। কারণ আইআইটি হল মানুষের জন্যই গড়ে ওঠা একটি প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি নতুন সরকার নিয়ে ডিরেক্টর বলেন, ‘এই নতুন সরকারের একটা আমি পজেটিভ দিক দেখতে পেয়েছি, বিভিন্ন মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলে। এই পজেটিভ স্পিরিট টা আমাদের বাস্তবে কাজে লাগালে আমাদের আই আই টির প্রভূত উন্নতি হবে।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নামে এটি হাসপাতাল অতি দ্রুত চালু করতে চলেছে খড়্গপুর আইআইটি। সেখানে যেমন আউটডোর দেখা হবে তেমনি থাকছে অতি অল্প খরচে মেডিকেলের যাবতীয় সুবিধা। এরই পাশাপাশি পড়ুয়াদের টেকনোলজি এবং এআইয়ের ক্ষেত্রেও নতুন নতুন ধরনের কোর্স চালু করতে চলেছে এই দেশের সর্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আর সেক্ষেত্রেই রাজ্যের সাহায্য অনেকটাই চলার পথে মসৃণ করবে বলেই মনে করছে আইআইটি ডিরেক্টর।