
খড়গপুর 7 ই অক্টোবর :
দিন-দাহাড়ে দিনের বেলায় নাবালককে লক্ষ্য করে গুলি।সূত্র।অনুযায়ী রেল শহর খড়্গপুরে পিছু ধাওয়া করে নবম শ্রেণীর ছাত্রকে লক্ষ্য করে দু রাউন্ড গুলি চালালো দুষ্কৃতীরা। একটি গুলি বুকে লাগে। এলাকায় উত্তেজনা,ঘটনাস্থলে পুলিশ প্রশাসন। যদিও কাউন্সিলর বলেন অন্য কেউ হয়তো টার্গেট ছিল। তবে পুলিশ সুপার স্বীকার করে বলেন গুলি চালানো হয়েছে খড়গপুরে।

দিন দুপুরে গুলি খেয়ে আহত পড়ুয়া যা নিয়ে উত্তেজনা খড়গপুরে। কাউন্সিলর দেওয়া সূত্র অনুযায়ী জানা যায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রেল শহর খড়গপুরের ২০ নং ওয়ার্ড ওল্ড সেটেলমেন্ট এলাকার গীতাঞ্জলি হলের কাছ থেকে সাগর কুমার এবং অক্ষয় ঝা নামে ২ পড়ুয়া স্কুটি করে বের হয়। এই দুই বন্ধু তারা স্কুটি করে বেলা ১১ টা সাড়ে ১১ টা নাগাদ সময় বের হন টিফিন করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু পরক্ষণে তারই পেছনের বাইকে আরো দুজন মাস্ক পরা দুষ্কৃতি তাদের পিছু ধাওয়া করে এবং কিছুটা দূরে গিয়ে দু রাউন্ড গুলি চালায়। যার মধ্যে একটি গুলি লাগে অক্ষয়ের বুকে। এরপরই অক্ষয় পড়ে যায়। তাকে চটজলদি তুলে নিয়ে গিয়ে প্রথমে রেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রেফার করা হয়। সূত্র মতে জানা যায় এরপর এই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ।তারা শুরু করে তদন্ত। অক্ষয় নবম শ্রেণীর ছাত্র বলেই জানা গেছে। এলাকায় ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা।

যদিও এই গুলি চালানোর ঘটনায় ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। গোলাগুলির ঘটনার কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দারা দাবি করেছেন, যে তারা গুলির শব্দ বা কারও চিৎকার কিছুই শোনেননি। স্থানীয়রা আরও জানান যে, বাইরে গোলাগুলির শব্দ এবং এক যুবকের আহত হওয়ার বিষয়টি তারা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেননি। এই পরস্পরবিরোধী দাবিগুলো গুলি চালানোর ঘটনাটিকে ঘিরে রহস্যকে আরও ঘনীভূত করেছে। এই ঘটনায় খড়গপুর টাউন পুলিশ প্রশাসন প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে। গুলিটি কে চালিয়েছিল? কাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল এবং এই ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য কী ছিল? অতি তৎপরতার সাথে সরেজমিনে খতিয়ে দেখে পুলিশ মামলাটি তদন্ত করছে এবং ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি উদঘাটনের চেষ্টা করছে।

এবিষয়ে পাশের ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ডি বসন্তী বলেন,”রেলওয়ে ডিপার্টমেন্টের মেডিকেলে কাজ করা কর্মীর প্রদীপ ঝা এর ছেলে অক্ষয় ঝা আজকের টিফিন করতে যাওয়ার সময় বন্ধুর সঙ্গে বের হয় স্কুটি করে। তখনই গীতাঞ্জলি হলের কাছে তাকে তাড়া করে গুলি করে দুই বাইক দুষ্কৃতি। তাদের প্রত্যেকেরই মুখে মাস্ক বাঁধা ছিল। একটি গুলি লেগেছে অক্ষয়ের বাম পাশের বুকে। অবস্থা ভালো নয় ওকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কলকাতায় ট্রিটমেন্টের জন্য। যদিও তিনি বলেন এই দুষ্কৃতীরা অন্য কাওকে গুলি করতে এসেছিলেন। কিন্তু অন্য কাওকে লেগে যায়। পাশাপাশি তিনি ও বলেন সাম্প্রতিক কালে অক্ষয়ের বন্ধু সাগরের বাবা প্রসাদ কুমারের মৃত্যু এভাবে হয়েছিল,গুলিবিদ্ধ হয়ে। একই ঘটনা ঘটলো আজকে।”

যদিও এই নিয়ে পুলিশ সুপার কিছু বলতে রাজি না হলেও তিনি ফোন মারফত জানান এলাকায় গুলি চলেছে। এই নিয়ে তিনি সাংবাদিক বৈঠকও করবেন।