
খড়গপুর 28 সে এপ্রিল :
বারে বারে পড়ুয়াদের সঙ্গে বসে আলোচনা কর্মশালা করেও রোধ করা যাচ্ছে আত্মহত্যা। ফের আইআইটির অস্বাভাবিক ছাত্র মৃত্যু যা নিয়ে চাঞ্চল্য নতুন করে। এই নিয়ে গত ১৬ মাসে ৯ জন ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হলো দেশের বৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খড়্গপুর আইআইটি তে।

দেশের প্রথিতযশা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খড়্গপুর আইআইটিতে ছাত্র মৃত্যু যা নিয়ে নতুন করে চাঞ্চল্য। যদিও নতুন ডিরেক্টর এর দায়িত্ব সুমন চক্রবর্তী পেয়ে ছাত্রদের সঙ্গে বেশ কয়েকবার মিলিত হন। বিভিন্ন কর্মসূচি করেন, আলাপ-আলোচনা করেন, তাদের খবরও নেন কিন্তু তারপরও ছাত্র-মৃত্যু অব্যাহত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এবার মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ফের খড়্গপুর আইআইটির পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু। মৃত ছাত্রের নাম সোহম হালদার। বছর বাইশের ওই পড়ুয়া ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ছাত্র ছিলেন। তাঁর বাড়ি উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসতে। থাকতেন খড়্গপুর আইআইটির মদনমোহন মালব্য হলে। মঙ্গলবার সকাল এগারোটা নাগাদ নিজের রুম থেকেই তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আইআইটির হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।ঘটনা ঘিরে থমথমে পরিবেশ খড়্গপুর আইআইটিতে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে খড়্গপুর টাউন থানার অধীন হিজলি ফাঁড়ির পুলিশ।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১৮ এপ্রিল খড়্গপুর আইআইটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া জয়বীর সিং দোডিয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল অটলবিহারী বাজপেয়ী হলের নিচ থেকে। গুজরাটের আমেদাবাদের ওই পড়ুয়া ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। মাত্র দশ দিনের ব্যবধানে ফের এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। এনিয়ে গত ১৬ মাসে আইআইটি খড়্গপুরের ৯ জন পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু হল। গতবছর (২০২৫) আইআইটি খড়গপুরের সাত ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছিল। এর মধ্যে ৫ জনেরই ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আত্মহত্যার তত্ত্বে শিলমোহর দেয় পুলিশ। এদিকে, চলতি মাসে দশ দিনের মধ্যে ফের দুই পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উঠে গেল নানা প্রশ্ন! গতবছর জুলাই মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পরই পড়ুয়াদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে সেতু অ্যাপ, মাদার ক্যাম্পাস, নিয়মিত পরিদর্শনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন ডিরেক্টর সুমন চক্রবর্তী। তারপরও এই ধরনের ঘটনায় হতাশ কর্তৃপক্ষ।

যদিও এ বিষয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন,” আমরা বডিটা উদ্ধার করে তদন্ত চালাচ্ছি। তদন্ত শেষ না হলে কিছু বলা যাবে না। তবে যতটুকু দেখে মনে হচ্ছে ওই পড়ুয়া সুইসাইড করেছে বলেই মনে হয়। এরই পাশাপাশি আমরা জানতে পেরেছি ওর লাস্ট কথাবার্তা হয়েছে ওর বোনের সাথে। তদন্ত শেষ