
মেদিনীপুর 20 ই আগস্ট :
বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে এবং প্রজাপিতা ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ২০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ. পি. জে. আব্দুল কালাম হলে ‘নেশামুক্ত ভারত অভিযান’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিটি ১০০ সপ্তাহব্যাপী নেশামুক্ত ভারত অভিযান-এর অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে ১৩০ জনেরও বেশি ছাত্রছাত্রী সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে নেশার কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক সুস্থতা, আত্মসংযম, ইতিবাচক চিন্তাভাবনা এবং নেশামুক্ত জীবনযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। কর্মসূচির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল ধ্যান ও যোগাভ্যাসমূলক কার্যক্রম, যার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মানসিক প্রশান্তি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের প্রতি উৎসাহিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন NSS-এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডিন অব স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার ড. অশোক কুমার। প্রজাপিতা ব্রহ্মাকুমারী ঈশ্বরীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ব্রহ্মাকুমারী কাকলি বোন, ব্রহ্মাকুমারী সোমা বোন এবং ব্রহ্মাকুমারী ধনঞ্জয় ভাই উপস্থিত থেকে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে নেশার ক্ষতিকর প্রভাব এবং নেশামুক্ত জীবনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। তাঁরা ধ্যান পরিচালনা করেন এবং আত্মসচেতনতা, আত্মসংযম ও ইতিবাচক জীবনদৃষ্টির মাধ্যমে নেশা থেকে দূরে থাকার বার্তা প্রদান করেন।

বক্তারা বলেন, যুবসমাজই দেশের ভবিষ্যৎ। নেশার কবল থেকে যুবসমাজকে মুক্ত রেখে একটি সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধ্যান ও আত্মসচেতনতা তরুণদের মানসিক দৃঢ়তা এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনা গড়ে তুলতে সহায়ক হতে পারে।এই অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত ছাত্রছাত্রীরা নেশামুক্ত ও সুস্থ সমাজ গড়ে তোলার জন্য সচেতনতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করেন।

এইদিন বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ যুবসমাজের মধ্যে নেশার বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা এবং একটি সুস্থ, সুন্দর ও নেশামুক্ত ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।