Pingla Sanam : পিংলার সনমের ব্যাংকক যাত্রায় সহযোগিতার হাত রশ্মি গ্রুপ! আন্তর্জাতিক প্রতিযোগীর পাশে সাহায্যের হাত

Share

পিংলা 17 ই আগস্ট :

স্বপ্ন দেখার সাহস থাকলে প্রতিভার ডানায় ভর করে আন্তর্জাতিক মঞ্চেও পৌঁছে যাওয়া যায়। আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে আর্থিক প্রতিবন্ধকতা যাতে প্রতিভার পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তারই এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল রশ্মি গ্রুপ। পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার ছোট্ট মেয়ে সনম খাতুন এবার আন্তর্জাতিক যোগাসন প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন। আগামী ৪ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ৪র্থ UYSF Asia Pacific Yogasana Sports Championship 2026।

এই প্রতিযোগিতায় ভারতের হয়ে অংশ নেওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন সনম। UYSF-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতাটি ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে এবং বিভিন্ন দেশের যোগাসন প্রতিযোগীরা এতে অংশ নেবেন। তবে গ্রামবাংলার এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছনোর এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল না। প্রতিভা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও বিদেশযাত্রার বিপুল খরচ ছিল পরিবারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে পিংলা বিধানসভার মাননীয়া বিধায়িকা স্বাগতা মান্নার আবেদনে সাড়া দিয়ে সনমের পাশে দাঁড়ায় রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী। সংস্থার পক্ষ থেকে সনম খাতুনের হাতে তুলে দেওয়া হয় ব্যাংকক যাওয়া-আসার সম্পূর্ণ ভ্রমণ ব্যয়ের সহায়তা। রশ্মি গ্রুপের এই উদ্যোগে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সনমের স্বপ্ন আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। রশ্মি গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ভাস্কর চৌধুরী সনমের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

তিনি সনমের সাফল্য কামনা করে আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে বিজয়ী হয়ে দেশে ফিরবেন পিংলার এই কৃতী কন্যা। উল্লেখ্য, যোগাসনে সনমের প্রতিভার পরিচয় ইতিমধ্যেই মিলেছে। চলতি বছরের শুরুতে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলার সনম খাতুন আন্তর্জাতিক স্তরের একটি যোগাসন প্রতিযোগিতায় জুনিয়র বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করে স্বর্ণপদক জয় করেছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। সনমের এই আন্তর্জাতিক সাফল্যের যাত্রায় পাশে দাঁড়িয়ে রশ্মি গ্রুপ আরও একবার তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার পরিচয় দিল। শিল্পের পাশাপাশি প্রতিভাবান ও প্রয়োজনমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবেই দেখছেন এলাকার মানুষ। সনমের পরিবারের পক্ষ থেকেও রশ্মি গ্রুপের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি পিংলার মাননীয়া বিধায়িকা স্বাগতা মান্না সনমের পাশে দাঁড়ানোর জন্য রশ্মি গ্রুপকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

পিংলার ছোট্ট মেয়ের স্বপ্ন এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে। সনমের হাত ধরে ব্যাংককের মাটিতে উড়বে ভারতের তেরঙ্গা এই আশাতেই শুভেচ্ছা ও প্রার্থনা গোটা এলাকার।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *