Agnimitra Paul : আপনারা দায়-দায়িত্ব নিলে আমি অভিযান চালাবো না একের পর এক মল লজ বন্ধ করে হুঁশিয়ারি অগ্রিমিত্রার! দাবি ‘আমার সরকার দায় নেবে না’

Share

মেদিনীপুর 22 সে আগস্ট :

কলকাতা ও সিউড়ির মতন বড় ঘটনায় নড়ে চড়ে বসলো খোদ মন্ত্রী নিজে। মেদিনীপুরে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়েই হঠাৎই তড়িঘড়ি অভিযান মেদিনীপুরের কয়েকটি লজ এবং শপিংমলে। ফায়ারের লাইসেন্স না থাকায় সব কটাকে বন্ধের নির্দেশ দিয়ে গেলেন জেলাশাসককে।

তিনি মেদিনীপুরে এসেছিলেন একাধিক কর্মসূচি নিয়ে কিন্তু তার মধ্যে এই অভিযানের কর্মসূচি হয়তো ছিল না তবে তিনি সতর্ক সচেতন হয়ে নেমে পড়লেন অভিযানে। তার দাবি কলকাতার মত ঘটনা যেন মেদিনীপুরে না ঘটে। ঘটনা ক্রমে জানা যায়, এই দিন বেশ কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে মেদিনীপুর এসেছিলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। সেই কর্মসূচি শেষ করে সার্কিট হাউসে বিশ্রাম নিয়ে আবার এই হঠাতই অভিযানে নেমে পড়েন। তিনি হাজির হন মেদিনীপুরের বড় শপিংমল ভি2 নামক একটি বেসরকারি শপিংমলে। পুরো খতিয়ান খতিয়ে দেখে তিনি বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে যান। তার অভিযোগ এই মলের না আছে কোন পারমিশন, না আছে কোন অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা। এছাড়াও নিচে নেই কোন গাড়ি রাখার ব্যবস্থা। এরপর তিনি হাজির হন রেল স্টেশনের কাছে দুটি লজে। ঘিঞ্জি এলাকা, সেইসঙ্গে অগ্নি নির্বাপন কোন ব্যবস্থা না থাকায় তড়িঘড়ি তা বন্ধ করা নির্দেশ দিয়ে যান। তিনি জেলা শাসকের নির্দেশ দেন এই ধরনের যতগুলো লজ, মল রয়েছে তা অবিলম্বে যেন বন্ধ করা হয়।

যদিও এই দিনের মন্ত্রীর অভিযানে সামিল হয়েছিল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সেইসঙ্গে এই দিন অগ্নিমিত্রার অভিযানে সামিল হন কংগ্রেস কাউন্সিলর মহম্মদ সাইফুল। তিনি মন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে অভাব অভিযোগ করেন। পাশাপাশি মেদিনীপুরের বিভিন্ন প্রোমোটারি রাজ সেই সঙ্গে অবৈধ নির্মাণ নিয়েও তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাও তুলে ধরেন মন্ত্রীর কাছে।

যদিও এ বিষয়ে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন,” আমরা মেদিনীপুরের একটি শপিংমলে এসেছি যেখানে কোন ফায়ার লাইসেন্স নেই, নেই কোন সরকারি কাগজ। এই পরিস্থিতিতে আমরা ডিএম কে বলেছি যাতে বন্ধ করা হয় এই মলটি। পাশাপাশি রেশমা লজ এবং বালাজি লজকেও আমরা আজ বন্ধ করলাম তার কারণ তাদের ফায়ার লাইসেন্স নেই,নেই কোন বেরোনোর ব্যবস্থা। রেশমা লজে প্রায় ৩৫ টি এসি রুম রয়েছে কিন্তু তার বেরোনোর ব্যবস্থা নেই। কোনো কারণে বড় দুর্ঘটনা ঘটে গেলে মানুষকে এখানে ভেতরে পুড়ে মরতে হবে। তিনি জোর গলায় বলেন আমরা মানুষের হয়ে কাজ করতে এসেছি। যদি ভগবান না করে কোন বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায় তার দায় কে নেবে? বিরোধীদের নিশানা করেও বলেন, যারা বলছেন হকার কেন তুলছেন, মল বা লজে কেন হানা দিচ্ছেন তাদেরকে বলব যদি বড় দুর্ঘটনা ঘটে যায় তার দায় কিন্তু এই সরকার নেবে না তারা যদি দায় নেন তবে আমরা এই ধরনের অভিযান আর চালাবো না।”

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কলকাতা এবং সিউড়ির অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত্যু ঘটেছে, আহত হয়েছেন একাধিক। আর তারপর থেকেই কঠোর হাতে নিয়ম-নীতি দেখতে মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপির সরকার। এক্ষেত্রে বিগত সরকারের নির্দেশিকা এবং সরকারী কাগজপত্র লাইসেন্স নিয়েও খতিয়ে দিচ্ছে তারা।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *