
শালবনী 17 ই এপ্রিল :
কংগ্রেস- ই একমাত্র এই রাজ্যবাসীর ভরসা আর তাই সেই ভরসা দিতেই শালবনীর প্রান্তরে, গ্রামে গঞ্জে ঘুরে বেড়াচ্ছেন শালবনির কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ মুখার্জি। তিনি জানান প্রচারে গিয়ে বহু জায়গায় মানুষ যেমন ছুটে এসেছে তাকে সম্বর্ধনা জানাতে তেমনি অনেক জায়গায় আবার বাধাও দেওয়া হয়েছে কংগ্রেস প্রচার করার জন্য। তাই এর পরিবর্তন দরকার। শালবনী বিধানসভার প্রার্থী হয়েই জোর কদমে প্রচার কংগ্রেস প্রার্থী অরূপ মুখার্জির।

১৯৮০ দশকে তার প্রথম হাতে খড়ি, এরপর তিনি ছাত্র যুবর দায়িত্ব পেয়েছেন। পরবর্তীকালে তিনি একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন জেলা ও রাজ্যে। দীর্ঘদিন কংগ্রেসকে ভালোবেসে গেছেন। কংগ্রেসের হয়ে প্রচার করা,ফেস্টুন লাগানো এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তার কাজে খুশি হয়ে অবশেষে দল তাকে প্রার্থী করলো শালবনি বিধানসভার। তিনি আর কেউ নন তিনি মেদিনীপুরের পুরনো এক কর্মী অরূপ মুখার্জি। বছর ষাটের এই অরূপ বাবুকে অবশেষে তার যোগ্য সম্মান দিল দল। তবে প্রার্থী হওয়ার পর থেকেই তিনি প্রচারে নেমে পড়েছেন ইতিমধ্যে। শহরে তো বটেই শালবনী গ্রামগঞ্জে এবং পাড়া গায়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কংগ্রেসের হাত শক্ত করার লক্ষ্যে। এলাকায় ঘুরে ঘুরে যেমন তিনি অভাব অভিযোগ শুনছেন তেমনি মানুষের দুর্দশা ও দেখছেন নিজের চোখে এবং তা নোট করছেন নিজের খাতায়।

পাশাপাশি তিনি এবারে এই রাজ্য থেকে তৃণমূল নামক দলটাকে হটাতে এবং কেন্দ্র থেকে বিজেপিকে সরানোর জন্য কংগ্রেস যে একমাত্র নির্ভরযোগ্য দল তা তিনি বোঝান এলাকার ৮ থেকে আশির মানুষ জনদের। তার রাজনৈতিক প্রচারে আবার চাঙ্গা হচ্ছে কংগ্রেস বলে দাবি অরূপ বাবুর। যদিও পুরনো কর্মীকে পেয়ে এলাকার মানুষ খুশি হয়েছে,অনেকেই জমে থাকা রাগ,ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। অনেকেই অভাব অভিযোগ শুনিয়েছেন প্রার্থী কে কাছে পেয়ে। তবে এবারে যে পরিবর্তনের ডাক দেওয়া হয়েছে এবং তা যে তিনি করতে পারবেন তা তিনি জানিয়েছেন অকপটে। এই অরূপ বাবুর ব্যাকগ্রাউন্ড বলতে গেলে বলা যায় ইনি হলেন একজন বীমা এজেন্ট। শুধু বীমা এজেন্ট বলাই ভুল হবে,তিনি সর্বভারতীয় বীমা এজেন্ট(AIGIAA) সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি।

বাড়িতে শিক্ষিকা স্ত্রী ছাড়া রয়েছে,রয়েছে এক মেয়ে যিনি ডাক্তার হয়ে সুইজারল্যান্ডে কর্মরত। এবারে প্রচারে গিয়ে তাই বিধানসভা থেকে জিতে এসে এলাকার উন্নয়নের দাবিদার হবেন বলেই দাবি এই অরুপ মুখার্জির।

এই দিন এক সাক্ষাৎকারে শালবনীর প্রার্থী অরূপ মুখার্জি বলেন,” সেই ১৯৮০ দশকে হাতে খড়ি। তারপর অনেক ঝড়ঝাপটা গিয়েছে। আর এই সময়কালে অনেক নেতা নেতৃত্ব সঙ্গে দেখা করার সুযোগ,কাজ করার সুযোগ হয়েছে আমার। তাই দল এবারে প্রার্থী করেছে কিন্তু এলাকায় গিয়ে মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে হয়েছে। কারণ দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূলের আমলে এত প্রকল্প করেও এখনো বহু রাস্তা খারাপ ,বেহাল রাস্তা দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে দুর্দশায় রয়েছে গ্রামবাসীরা। এছাড়া সালবনি বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলে আলোর সুব্যবস্থা নেই ,নেই উন্নয়নের ছিটে ফোঁটা। তাই তাদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি এবারে ক্ষমতায় ফিরলেই এলাকায় সুদিন আসবে ,উন্নয়ন ঘটবে ,কাটবে আঁধার।”