Keshpur Campaign : প্রচারের ফাঁকে নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে রকমারি শাড়িতে প্রচার প্রাক্তন মন্ত্রীর!এই কুড়ি দিনে কুড়িটা শাড়ি আমি ব্যবহার করব

Share

কেশপুর 15 ই এপ্রিল :

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ১৫ টি বিধানসভার এক ও অন্যতম মহিলা প্রার্থী হলেন এই প্রাক্তন মন্ত্রী,প্রাক্তন বিধায়িকা শিউলি সাহা। প্রতিদিন গ্রাম থেকে পাড়া, পাড়া থেকে গঞ্জ দৌড়াতে গিয়ে হিমশীম। তবে তারই মাঝে নিজেকে সাজিয়ে নিচ্ছেন গুছিয়ে নিচ্ছেন সেইসঙ্গে শাড়ির অভিনবত্বতে ধরা দিচ্ছেন ভোটারদের কাছে। বক্তব্যে জানালেন,’প্রচারের মাত্র কুড়ি দিন পেয়েছি, তাতে কুড়িটা শাড়িটা অবশ্যই পরবো আমি ।

প্রথম দফার ভোট আর ৭ দিন পর আর তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারের ঝাঁজ বেড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায়। এই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৫ টি বিধানসভা আর তার মধ্যে এক ও অন্যতম বিধানসভা হলো কেশপুর। এই কেশপুরের যিনি বিধায়িকা অর্থাৎ প্রাক্তন বিধায়িকা তিনি হচ্ছেন শিউলি সাহা। তিনবারের তিনি জেতা বিধায়িকা। এছাড়াও ঘাটাল লোকসভার অন্যতম বিধানসভা হিসেবে কেশপুরে প্রতিবারই প্রায় এক লক্ষ ভোটের উপর মার্জিন লিড দিয়ে এলাকার লোকসভার সাংসদ দেব কে জিতিয়ে আনেন এই শিউলি সাহা। আর তাই দল তার কাজে খুশি হয়ে মন্ত্রিত্ব দিয়েছে। তাই এবারের প্রার্থী হয়ে শিউলি সাহা ইতিমধ্যে প্রচারে ঝড় তুলেছেন। অন্যদিকে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।তারই প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সামন্ত যিনি আবার শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে। তবে এই প্রাক্তন মন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়িকা শিউলি সাহা নজর কেড়েছে তার শাড়িতে।

গ্রামগঞ্জের কাঠফাটা রোদে, তীব্র দহনে প্রতিদিন রকমারি শাড়িতেই প্রচার সারছেন তিনি। তাই জেলার রাজনৈতিক প্রার্থীদের সাজ পোশাকের ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে কিছুটা আলাদা এই মহিলা প্রার্থী। শাড়ি তার প্রথম পছন্দের তাই প্রতিদিনই রংবেরঙের রকমারি শাড়ি পরেই তিনি প্রচার যাচ্ছেন।সকালে একরকম তো সন্ধ্যায় আরেক রকম সঙ্গে ভিভিআইপি মুভমেন্ট, জনসভা পদযাত্রা তাতেও তিনি অংশ নিচ্ছেন সেই রকমই শাড়ি পরে। শুধু নিজের বিধানসভা প্রচার করছেন তা নয় সেই সঙ্গে তিনি নেত্রী এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিভিন্ন জনসভায় উপস্থিত হচ্ছেন নিজস্ব লুকে। এবারে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা থেকে তাই নজর কেড়েছেন এই প্রাক্তন মন্ত্রী।

এই বিষয়ে এইদিন শিউলি সাহা বলেন,” সাজগোজ আমি একদমই করি না শুধু একটা টিপ আর শাড়ি। আপনি যদি শিউলি সাহার ভোটার কার্ড দেখেন আর আমাকে দেখেন তাহলে আপনি মেলাতে পারবেন না। আমি প্রতিদিনই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে বেড়ায়,প্রচুর মানুষের সঙ্গে দেখা করি, মিলিত হই। সেই সঙ্গে অভাব অভিযোগ শুনি, তাই প্রচুর পরিমাণে ঘাম হয় নোংরা হয় আর তার জন্যই শাড়ি চেঞ্জ হয়। যদিও আমি স্নান করে বের হই, তবে সঙ্গে গঙ্গাজল অবশ্যই রাখি,যখনি সময় পাই একটু ছিটিয়ে নিয় কারণ অনেক মন্দিরে যেতে হয় আমাকে।

পাশাপাশি তিনি বলেন এই নির্বাচনের সময় পেয়েছি মাত্র কুড়ি দিন আর এই কুড়ি দিনে আমার কুড়িটা শাড়িতে অবশ্যই আমি ব্যবহার করব। তবে আমার শাড়ির দাম অত্যন্ত কম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকার ভিতরে। যা সোনাঝুরি থেকে আনা সুতির শাড়ি।


Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

dnews.in